‘প্রত্যয়ী ১৫’র বিদায়ে যবিপ্রবিতে প্রথম বারের মতো কেন্দ্রীয় র্যাগ ডে

19
যবিপ্রবি প্রতিনিধি :
যশোর বিজ্ঞান  ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(যবিপ্রবি)  প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় র্যাগ ডে।২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের “প্রত্যয়ী-১৫” ব্যাচের বিদায় উপলক্ষ্যে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এ
অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক -বর্তমান শিক্ষার্থী এবং অতিথিরা রেজিস্ট্রেশন করে এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
বর্তমান শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ক্লাস প্রতিনিধিদের মাধ্যমে। বিদায়ী ব্যাচ, সাবেক শিক্ষার্থী এবং অতিথিদের জন্য রয়েছে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা।
দুদিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে ২৬ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সকাল ১০.০০ টায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান ও সম্মাননা স্মারক প্রদান। বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সন্ধ্যা ৭.০০ টায় শুরু হবে হার্ডওয়ে ব্যান্ডের অংশগ্রহণে জমকালো কনসার্ট।
২৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সকাল ৯.০০ টায় ফ্লাশ মড,বেলা ১১.০০ টায় কালার ফেস্ট। বিকাল ৩.০০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সন্ধ্যা ৬.০০ টায় এক একে মঞ্চ মাতাবেন ক্রাউন্ড,  সমন্বয় এবং  ওডিসাস ব্যান্ড।সবশেষে আসবেন সময়ের আলোচিত ব্যান্ড, ব্যান্ড লালন।
উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে প্রত্যেক ডিপার্টমেন্টে আলাদাভাবে র্যাগ ডে আয়োজন করা হতো । এবারই প্রথম সম্মিলিত ভাবে সব ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে  দিনটির  আয়োজন হতে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে  জানতে চাইলে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী  নিলয় মন্ডল বলেন, যবিপ্রবির ইতিহাসে প্রথম বারের মতো এমন আয়োজন।এটির অংশ হতে পেরে আমি আনন্দিত। এমন আয়োজন  অনুপ্রেরণা যোগাবে আগামীতে আরও বড় আয়োজনের।
প্রথম বারের মতো এত বৃহৎ  আয়োজনের সমন্বয়ক ব্যাচ  ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের একজন   শিক্ষার্থী হিসেবে আমি গর্ব অনুভব করছি। এই শুরুই যেন শেষ না হয় , জুনিয়রদের কাছে এই প্রত্যাশাই থাকবে,বলছিলেন আয়োজনের আহ্বায়ক নাজমুল হোসাইন।
বিদায়ী ব্যাচ,’প্রত্যয়ী ১৫’ এর শিক্ষার্থী তাসমিনা ফেরদৌসের  ভাষায়,এক অদ্ভুত নতুন উদ্যম নিয়ে চার বছর আগে শুরু হয়েছিল একজন যবিপ্রবিয়ান হিসেবে আমার পথ চলা।সময় পরিক্রমায় আজ  সেই পথের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে।এক সময়ের শুধুমাত্র একটা নাম “যবিপ্রবি” চার বছরের ব্যবধানে আজ প্রাণের ক্যাম্পাস, আমার সেই নতুন অনুভূতির এক জীবন্ত সত্তা। যেটি  আমার আগামী দিনের পথ চলার শক্তি হিসাবে কাজ করবে।এ বিদায় বিদায় নয়,নতুন শুরুর সূচনা মাত্র। কৃতজ্ঞতা জুনিয়রদের প্রতি আমাদের বিদায়কে রাঙ্গাতে তাদের সমন্বিত  প্রচেষ্টার জন্য।
SHARE

LEAVE A REPLY