কেশবপুর সদর সমবায় সমিতি ভবনে শিশু একাডেমির সাইনবোর্ড !

92

 শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিমল কুন্ডু একই কর্মস্থালে ২২ বছর

কেশবপুর প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুর সদর ইউনিয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড’র ভবন দখল করে শিশু একাডেমির সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। সেখানে ৬ নং সদর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম ও চলতো । শিশু একাডেমীর কার্যালয় থাকা সত্বে আবার নতুন করে ভবন দখল করে শিশু একাডেমির সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেওয়াই সাংস্কৃতিক ও সামাজিক মহলে সচেতন মহলে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে সরোজমিন যেয়ে দেখা যায় , দখল করে নেওয়া ভবনে সাইনবোর্ড ঝুলচ্ছে । তবে কনো কার্যক্রম চলছে না ।পরবর্তীতে সকাল ৯ টা ৩৫ মিনিটে শিশু একাডেমীর আগের কার্যালয়ে য়েয়ে দেখা যায় প্রাক প্রাথমিকের ক্লাস নিচ্ছে ইতি নামে একজন শিক্ষিকা ।উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিমল কুমার কুন্ডু তখন অফিসে ছিলেন না। জানা গেছে ১৯৯৬ সালে কেশবপুরে শিশু একাডেমী উদ্ধোধন করেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী এ এস এইচ কে সাদেক । ২ ডিসেম্বর ১৯৯৬ সালে শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা হিসাবে যোগ দেন বিমল কুমার কুন্ডু । দীর্ঘ ২২ বছরের বেশি সময় ধরে সে এখানে কর্মরত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পক্ষপাতিতের অভিযোগ রয়েছে ।
সেই উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিমল কুন্ডুর নেতৃত্বে কেশবপুর সদর ইউনিয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড’র ভবন দখল করে শিশু একাডেমির সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। জানা গেছে, শহরের পাবলিক ময়দান সংলগ্ন পুকুরের পাশে কেশবপুর সদর ইউনিয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেড’র এসএ দাগ নং-৩৭ এর ভেতর ১৪ শতক জমি ছিল। ২০০৬ সালের ৩ জুলাই ওই জমি পৌরসভার সাথে কেশবপুর সদর ইউনিয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি জামাল উদ্দীন সানা এওয়াজমূলে দলিল করে নেয়। ওই জমিতে বর্তমান পৌর ভবন রয়েছে। আর পৌরসভার জমি কেশবপুর সদর ইউনিয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের দখলে রয়েছে। যার ২টি কক্ষে কেশবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয় ছিল। ২০১৩ সালে সরকার ওই জমি অবমুক্তি করে দেয়। যার কেস নং- ২৬৯৯। যা সরকারী খ তফশীলভূক্ত জমি। এরই সূত্র ধরে কেশবপুরের তৎকালিন সহকারি কমিশনার (ভূমি) আবু সায়েদ মোমেন মজুমদার কেশবপুর সদর ইউনিয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের নামে নামপত্তন করে দেয়। সে ভাবেই তারা ভোগ দখলে আছেন।
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি কেশবপুর শাখার পক্ষ থেকে ওই বিরোধপূর্ণ জমিতে রোববার সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করেছে এ ব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা শিশু একাডেমির কর্মকর্তা বিমল কুমার কুন্ডু সাংবাদিকদের বলেন উদ্ধতন কতৃপক্ষের নির্দেশে সাইনবোর্ড দিয়েছি, আমি বিরোধ থাকা জমিতে অফিস করবো না। প্রয়োজনে শিশু একাডেমির ক্লাস পাবলিক ময়দানে করাবো।

SHARE

LEAVE A REPLY