কেশবপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

18

উৎপল দে,কেশবপুর ঃ
যশোরের কেশবপুরে কালিয়ারই গ্রামের জনবসতিপূর্ণ এলাকার একটি পুকুর থেকে ১ মাস ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন এক ব্যক্তি। ফলে ওই পুকুর পাড়ের সরকারি রাস্তাসহ ১০টি বসতভিটা ও রোপণকৃত বোরো ধান ক্ষেত ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েছে ।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারী মাস থেকে উপজেলার কালিয়ারই গ্রামের রিশিপাড়া সড়ক পাকাকরণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ঠিকাদার বাবুল আক্তার। রাস্তায় বালু সরবরাহের দায়িত্ব নেয় এলাকার নুরুল ইসলাম গাজী। গত ৭ জানুয়ারী থেকে তিনি কালিয়ারই সরকারি রাস্তার পাশের জনবসতিপূর্ণ এলাকার নলপুকুর থেকে বালু উত্তোলন শুরু করেন। এ সময় আশপাশের বসতভিটাসহ রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কায় এলাকাবাসির পক্ষে ফারুক হোসেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। তিনি অভিযোগটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার’কে (ভূমি) নির্দেশ দেন। এ নির্দেশনা পেয়ে বাউশলা ইউনিয়ন সহকারী তহশীলদার কার্তিক রায় সরেজমিনে গিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেয়। কিন্তু তিনি ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর আবারও বালু উত্তোলন শুরু করেন। এভাবে বালু উত্তোলনের ফলে সরকারি রাস্তাসহ আশপাশের ১৫টি বসতঘর হুমকির মুখে পড়েছে।
সোমবার পুকুর থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে তার চারপাশে জনবসতিপূর্ণ এলাকা। কালিয়ারই গ্রামে প্রবেশের একমাত্র সরকারি রাস্তার পাশেই নলপুকুর। এই পুকুর থেকে অবৈধভাবে বালূ উত্তোলন করে পাইপের মাধ্যমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে রিশিপাড়া সড়কে। কিন্তু ঠিকাদার রাস্তার দু’পাশে যেনতেনভাবে বাঁধ দিয়ে বালুমিশ্রিত পানি ফেলায় রাস্তার দু’পাশে সদ্য রোপণকৃত বোরো ধান ক্ষেতে বালু জমে আলাল গাজী, শাহাবুদ্দীন, আবুল কাশেম, আবুল গাজী, কার্তিক পালসহ কমপক্ষে ১০/১২ জন কৃষকের ধান ক্ষেত নষ্ট হচ্ছে। ধসে নষ্ট হচ্ছে বসতভিটার জমি। এ ব্যাপারে নুরুল ইসলাম বলেন, আমি বালু উত্তোলন করছি না। তার পুকুর থেকে অনুমতি নিয়ে বালু উত্তোলন করছেন ঠিকাদার বাবুল আক্তার। আপনি তার সাথে কথা বলেন। ঠিকাদার বাবুল আক্তার বলেন, সরকারি কাজের জন্যে বালু ওঠানো হচ্ছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এনামুল হক বলেন এলাকবাসী বিষয়টি মোবাইলে জানালে তাৎক্ষনিকভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। #

SHARE

LEAVE A REPLY